আমেরিকায় ফুল ফান্ডিং পিএইচডি করতে যাওয়ার খরচ ও সেভিংসের বৃত্তান্ত:
হিসাবের সুবিদ্বার্থে ধরা যাক আপনি আগামী ২০২২ ফল সেমিস্টারে আমেরিকার ৬ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে যাচ্ছেন। তাহলে দেখে নেওয়া যাক আমেরিকা যাওয়া পর্যন্ত আপনার কতো খরচ হতে পারে-
খরচের হালচাল:
আগাম খরচ:
জিআরই রেজিস্ট্রেশন ফি + চারটি ইউনিভার্সিটিতে স্কোর পাঠানো = ২০,৫০০ টাকা।
দুইিট ইউনিভার্সিটিতে স্কোর পাঠানো (৩,৫০০x২)= ৭,০০০ টাকা।
টোফেল রেজিস্ট্রেশন ফি + চারটি ইউনিভার্সিটিতে স্কোর পাঠানো = ১৯,৫০০ টাকা।
দুইটি ইউনিভার্সিটিতে স্কোর পাঠানো (৩,০০০x২) = ৬,০০০ টাকা।
__________________________
মোট আগাম খরচ ৫৩০০০ টাকা
আবেদন খরচ:
ইউনিভার্সিটির আবেদন ফি (৬,০০০x৬) = ৩৬,০০০ টাকা।
ট্রান্সক্রিপট ইস্যু করা (১,৫০০x৬) = ৯,০০০ টাকা।
ট্রান্সক্রিপ্ট বা ডকুমেন্ট পাঠানোর খরচ (২,২০০x৬) = ১৩,২০০ টাকা।
_____________________________
মোট আবেদন খরচ ৫৮,২০০ টাকা।
মোট আগাম খরচ + মোট আবেদন খরচ (৫৩,০০০ + ৫৮,২০০) = ১১১,২০০ টাকা।
ভিসা প্রসেসিং খরচ:
অ্যাম্বাসি ফি ১৩,৭৬০ টাকা।
সেভিস ফি [আই-২০- ১৯,২০০ + ডিএস ফর্ম- ১৭,৭০০) = ৩৬,৯০০ টাকা।
______________________________
ভিসা প্রসেসিং বাবদ মোট খরচ ৫০,৬৬০ টাকা।
ভিসা পরবর্তী খরচ:
ব্যক্তিগত শপিং ১৫,০০০ টাকা।
প্লেন ভাড়া (কম বেশি) ১,০০,০০০ টাকা।
________________________________
ভিসা পরবর্তী মোট খরচ ১,১৫,০০০ টাকা।
মোট ভিসা প্রসেসিং + মোট ভিসা পরবর্তী খরচ (৫০,৬৬০ + ১,১৫,০০০) = ১,৬৫,৬৬০ টাকা।
সর্বমোট খরচ:
(১১১,২০০+১,৬৫,৬৬০) = ২,৭৬,৮৬০ টাকা।
আয়ের হিসাব:
আয়:
ধরি, একজন রিসার্চ অ্যাসিস্টেন্ট এর বছরে পারিশ্রমিক গড়ে ২৪,০০০ ডলার।
ব্যায়:
ইনকাম ট্যাক্স বাবদ কেটে নিবে (১৫%) ৪,৫০০ ডলার।
থাকা খাওয়া বাবদ খরচ গড়ে (১০০০ডলার x ১২) ১২,০০০ ডলার।
____________________________________________________________
মোট ব্যায় ১৬,৫০০ ডলার।
বছরে প্রকৃত আয় (২৪,০০০-১৬,৫০০) ডলার = ৭,৫০০ ডলার।
টাকার হিসাবে (৭,৫০০x৮৫) = ৬,৩৭,৫০০ টাকা।
প্রতি মাসে (৬,৩৭,৫০০/১২) = ৫৩,১২৫ টাকা।
সুতরাং, থাকা খাওয়া বাদ দিয়ে প্রতি মাসে আপনি কম বেশি ৫৩ হাজার টাকা বাঁচাতে পারবেন। সে হিসেবে মাত্র ৫-৬ মাসে আপনার সমস্ত খরচের টাকা উঠে আসবে।
হিসেবের পুরো খরচটি ব্যক্তিগত খরচ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিবার নিয়ে থাকলে হিসেবে চেঞ্জ আসবে।